1. admin@ourbhola.com : আমাদের ভোলা : আমাদের ভোলা
নারীর পর্দা কেমন আর বর্তমানে কতটুকু পালন হচ্ছে? - আমাদের ভোলা
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১১:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
প্রিয় ভিজিটর, দ্বীপজেলা ভোলার বৃহত্তম ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

নারীর পর্দা কেমন আর বর্তমানে কতটুকু পালন হচ্ছে?

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১১৭ বার পঠিত
https://ourbhola.com/wp-content/uploads/2022/02/Abeg_02_10_2022_01_04_06.png
নারীর পর্দা কেমন আর বর্তমানে কতটুকু পালন হচ্ছে?

নারীর পর্দা কেমন- রাহাত হোসেন।

নারীর পর্দা ফরজ। নারী সে পর্দা কতটুকু পালন করে যাচ্ছে?
ইসলামের বিধানেই রয়েছে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা।
এখন নারীর মর্যাদাও নিরাপত্তার জন্য কি প্রয়োজন?
এর উত্তরে সর্ব প্রথম আসবে পর্দা ।

কারণ নারীর পর্দা একমাত্র বস্ত্র যেটা করলে একজন নারী সুরিক্ষিত থাকতে পারে । এখন আসা যাক নারীরা কেমন পর্দা করছে। তারা এই পর্দার জন্য কতটা ইসালমের রীতি পালন করছে ।

যেমন নারীরা বোরকা পড়ছে তবে তা শরীরের সাথে একদম আস্টেপৃষ্টে তাহলে এটা কি তাদের পর্দা করা হলো?আবার তারা বোরকা পড়ে। তবে সেটা হলো মিনি বা ছোট যেটা শুধু কোমড় পর্যন্ত থাকে। বাকিটা ফাঁকা তবে সেটাও কিন্তু পর্দা নয় ।

আর বর্তমান পরিস্তিতি এমন দৃশ্য অনেক দেখা যায় । ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বোরকা ।
বোরকার কথা আসলে প্রথমে মাথায় রাখতে হবে যে এটি সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য নয়; সৌন্দর্য আবৃত রাখার জন্য। এমন বোরকা ব্যবহার করতে হবে, যা এই উদ্দেশ্য পূরণ করে।

আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সম্বোধন করে বলেছেন-
‘হে নবি! আপনি আপনার স্ত্রীদের, মেয়েদের ও বিশ্বাসীদের নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের (মুখমন্ডলের) উপর টেনে দেয়।

এতে তাদেরকে (বিশ্বাসী নারী হিসেবে) চেনা সহজতর হবে; তাহলে তাদেরকে অহেতুক উত্যক্ত করা হবে না। আর আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৫৯)

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন-

আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নারীদের আদেশ করেছেন- তারা যেন কোনো প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় মাথা থেকে চাদর টেনে সম্পূর্ণ মুখমন্ডল আবৃত করে, শুধু (চলার জন্য) এক চোখ খোলা রাখে।

তাহলে বর্তমান যুগে এমন করে ক’জন নারী চলছে ।
অধুনিক যুগটা এখন নাস্তিকরা দখল করে আছে । তারা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের স্টাইল নিয়ে আসে সেটা নারীরা অনুসরণ করে যায় ।

তবে তারা এটা জানে না এটা তাদের জন্য কতটা ক্ষতি করছে । আমাদের এইসব আধুনিকতা থেকে বিরত থাকতে হবে ।

ইসলামের রীতিতে নিজেদের বউ, মেয়ে, মা, বোন কে তাদের জীবন চলমান করতে হবে ।কিছু কিছু নারী/মেয়ে এমন পর্দা, এমন ধরনের বোরকা ব্যবহার করে যেটা ইসলামের শরিয়তে নেই ।

তারা আঁটোসাটো বোকরা পরেন যে, দেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গের আকার ফুটে উঠে। বলতে হয় যে- তাদের এইসব দেখে এর দ্বারা বোরকার উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। বরং এ জাতীয় বোরকাও অন্য দেশের ঐসব পোষাকের ।

হাদীস শরীফে এমন এসেছে যে –

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দুই প্রকার জাহান্নামী মানুষ আসবে; যাদেরকে আমি আমার যুগে দেখতে পাচ্ছি না। এক প্রকার হচ্ছে, ওই সব নারী!-> যারা কাপড় পরেও উলংগ থাকবে।

তারা সাজ-সজ্জা করে পর পুরুষকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও অন্য পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে।> তাদের মাথার খোপা (সাজ সজ্জা ও ফ্যাশনের কারণে) উটের কুঁজের মত (উঁচু, যা) এদিক-ওদিক হেলানো থাকবে।

তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না; এমনকি তারা জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ, জান্নাতের সুঘ্রাণ ৫শ’ বছর রাস্তার দূরত্ব থেকেও অনুভব করা যাবে।’ (মুসলিম)

এখন নারীর বোরকা পড়া এই কথার সঙ্গে মিলে যায়
যারা পরিপূর্ণ পর্দা করে না বরং পর্দার নামে ফ্যাশন করে। বিভিন্ন ডিজাইনের টাইট-ফিটিং বোরকা পড়ে। যার ফলে তাদের শরীরের গঠন ও আকৃতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে ।

ইসলামই নারীকে দিয়েছে অসামান্য মর্যাদা। তাদের সম্মান অনেক বেশি । তাই এই সম্মান রক্ষা করা, তাদের ইজ্জত রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব।
প্রতিটা নারী/মেয়েকে উচিত ঐসব বস্ত্র ত্যাগ করা যেটা পড়লে ইসলাম মানে না, ইসলামের রীতিতে পড়ে না।

তাই প্রতিটা নারী/মেয়েকে উচিত
নাস্তিকদের অনুসরন থেকে নিজেদের বিরত রাখা।

জান্নাতের সুভাস পাওয়ার জন্য,আল্লাহর আদেশ মানার জন্য ঢিলে-ঢালা পোশাক পরা।

বাইরে বের হলেও ঢিলে-ঢালা বোরকা পরিধান করা আবশ্যক। যাতে প্রকাশ পাবে না শারীরিক গঠন ও সৌন্দর্য।

ফেসবুকে আমরাঃ আমাদের ভোলা

আরো পড়ুনঃ জীবনের সব রং রঙিন নয়, সমাপ্তিতে শুধু সাদা-কালো রয়

Spread the love

আপনার ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্ট করুন

উক্ত লেখাটি সোসাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো লেখা
© All rights reserved © 2021 আমাদের ভোলা
Development By MD Rasel Mahmud