1. admin@ourbhola.com : আমাদের ভোলা : আমাদের ভোলা
গুচ্ছ এর অনিয়ম নিয়ে মুখ খুললেন ঢাবির শিক্ষক - আমাদের ভোলা
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
প্রিয় ভিজিটর, দ্বীপজেলা ভোলার বৃহত্তম ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

গুচ্ছ এর অনিয়ম নিয়ে মুখ খুললেন ঢাবির শিক্ষক

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৭৭ বার পঠিত
https://ourbhola.com/wp-content/uploads/2021/08/কাজী-হানিয়াম-মারিয়া.jpg
গুচ্ছ এর অনিয়ম নিয়ে মুখ খুললেন ঢাবির শিক্ষক

গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এবছর অনিয়েমের শেষ নেই। একের পর এক ভোগান্তির শিকার শিক্ষার্থীরা। জিপিএ ৫ না থাকায় বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দেয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ৬১ হাজার শিক্ষার্থী। এ নিয়ে সোসাল মিডিয়াতে দিনের পর দিন আলোচনা-সমালোচনা হয়েই চলছে।

ইতোমধ্যে গুচ্ছের অনিয়ম নিয়ে ঢাবির শিক্ষক সহ মুখ খুলেছেন অনেকেই। পরিশেষে নিজের টাইমলাইনে গুচ্ছের অনিয়ম নিয়ে লিখেছেন ঢাবির পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক কাজী হানিয়াম মারিয়া। তিনি বলেন-

এবছর ইউজিসির নেতৃত্বে বিশটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবর্ষে ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। এক অর্থে এর মাধ্যমে ছাত্ররা জেলায় জেলায় ঘুরে পরীক্ষা দেবার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে। নি:সন্দেহে ভালো উদ্যোগ।পরীক্ষা নেয়ার সুবিধার জন্য কমিটি প্রাথমিক সিলেকশনের মাধ্যমে আগেই ছাত্রদের যাচাই-বাছাই করে নিচ্ছে।কিন্তু এই করোনা পরিস্হিতিতে প্রাথমিক সিলেকশন পদ্ধতিতে কি একটু ছাড় দেয়া যায়?

কবে খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান; দ্রত আসতে পারে সিদ্ধান্ত


গতবছর এইচএসসি পরীক্ষা হয়নি। এদের সিলেকশন হবে এসএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষার নম্বরের উপর ভিত্তি করে। ঐ দুপরীক্ষার নম্বর হিসাব করে দেখা গেছে এইচএসসিতে গতবছর যে পরিমান জিপিএ-৫ পেয়েছে তা অন্যান্য কয়েক বছরের মোট জিপিএ-৫ এর সমান।

এবং বেশিরভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা। ফলে প্রাথমিক সিলেকশনে যারা ৪.৮ বা ৪.৭ পেয়েছে, তারাও বাদ পড়েছে।তেমনি এই গ্রেড পাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যখন বিভাগ পরিবর্তন করতে চাচ্ছে, তখনও বাদ পড়ে যাচ্ছে। এরা কিন্তু জিপিএ-৫ পাওয়াদের থেকে কোনো মতেই কম মেধাবী নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যায় না। তাই সারা বাংলাদেশের বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছাত্রদের ভরসা এই গুচ্ছপরীক্ষা। তাই এই বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে সিলেকশন প্রসেস কি একটু শিথিল করা যায় না?

স্কুলের একজন ইংরেজি শিক্ষক,এখন অটো রিকশাচালক


গতকালকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাদপড়া শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে। সেখানে বাচ্চারা আবেগে বিষপানের চেষ্টা করেছে! পুলিশ বাঁধা দিয়ে তাদের থামিয়েছে। এই ২০২০ এর ব্যাচটা এমনিতেই হতভাগা।

অটোপাস এদের কয়েকজনের মনে সাময়িক আনন্দ আনতে পেরেছে কিন্তু পরবর্তীতে যে এত বড় ক্ষতির মুখামুখি হবে তা এরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন যে অটোপাস উচ্চশিক্ষায় কোন প্রভাব ফেলবে না।

কিন্তু সেই আশ্বাসের কোন বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। এই ব্যাচটা এমনিতেই অটোপাসের খোটা সারা জীবন শুনবে, এদেরকে আর যন্ত্রণা দিবেন না। করোনা পরিস্হিতিতে কর্তৃপক্ষ ওদের এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারেনি, এখন আবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে দিবে না! এতটা কঠিন ওদের প্রতি না হয়ে অনুরোধ করছি,এইবারের মত প্রাথমিক সিলেকশন বাদেই পরীক্ষা দিতে দিন এদের।


গুচ্ছ পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ছাত্রদের আশ্বাস দিয়েছেন যে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়টা দেখবেন। পরশু থেকে শুরু হবে চূড়ান্ত আবেদন।আশা করছি এই ছাত্রবান্ধব পরীক্ষাটি যেন ছাত্রদের জন্য মানবিক হয়।

কাজী হানিয়াম মারিয়া,
শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আপনার ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্ট করুন

উক্ত লেখাটি সোসাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো লেখা
© All rights reserved © 2021 আমাদের ভোলা
Development By MD Rasel Mahmud